সাংবাদিক আহমদ গিয়াসের ইন্তেকাল, ঈদগাঁও প্রেস ক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠনের শোক
কক্সবাজারের সৎ, সাহসী, সত্যনিষ্ঠ ও নির্লোভ সাংবাদিক, পরিবেশ ও সমুদ্র গবেষক আহমদ গিয়াসের মৃত্যুর খবরে ঈদগাঁও প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দ গভীর শোকাহত হয়েছেন। নেতৃবৃন্দের মতে, তার মৃত্যু কক্সবাজারের সাংবাদিকতায় অপূরণীয় ক্ষতি সাধন করেছে। যা কখনো পূরণ হবার মত নয়। স্পষ্টবাদী এ সাংবাদিকের ক্ষুরধার লেখনি জেলা বাসিকে দীর্ঘদিন উজ্জীবিত করে আসছিল। নামকরা সংবাদ মাধ্যম গুলোতে তার বিচরণ ছিল খুবই গর্বের। তারা বলেন, সত্যের পক্ষে তিনি ছিলেন সদা অবিচল। সাংবাদিকতায় তিনি কখনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেননি। উপেক্ষা করেননি রক্ত চক্ষুকে। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি নীল জলরাশি তথা সমুদ্রের অপার সম্ভাবনা নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণায় লিপ্ত ছিলেন। ছিলেন পরিবেশ সম্পর্কে ব্যাপক সচেতন। পরিবেশ গবেষক হিসেবেও তার বেশ সুখ্যাতি রয়েছে। আমরা এ মহান কর্মবীরের মহৎ কার্যাবলীর সস্রদ্ধ স্মৃতিচারণ করছি। একই সাথে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
জানাচ্ছি শোক-সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা। মহান আল্লাহ যেন তাদেরকে এ শোক সইবার শক্তি দান করেন। এও স্মরণ করছি যে, উনার মত আমাদেরকেও একদিন এ পৃথিবী থেকে চির বিদায় নিতে হবে। আল্লাহ যেন আমাদের সকলকে কবুল করেন। আমিন। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন ঈদগাঁও প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ রেজাউল করিম, সাধারণ সম্পাদক শেফাইল উদ্দিন সহ কার্যকরী কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের সদস্যবৃন্দ।
উল্লেখ্য, কক্সবাজারের চারণ সাংবাদিক ও গবেষক আহমদ গিয়াস বৃহস্পতিবার শহরতলীর দরিয়ানগরে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে সদর হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৫৪ বছর। তিনি স্ত্রী, ২ পুত্র, ১ কন্যাসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
মরহুম আহমদ গিয়াসের জানাজার নামাজ একই দিন বাদে আসর কক্সবাজার প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। পরে তার পৈতৃক নিবাস চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে তাকে দাফন করা হয়।
তার মৃত্যুতে সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজার এবং কক্সবাজার জেলা জামায়াতে ইসলামী পৃথক বিবৃতি দিয়েছেন।