Global Header Bottom
সোনারগাঁয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন

সোনারগাঁয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন

সোনারগাঁয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন

নারগাঁয়ে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের দৈলেরবাগ এলাকার বিভিন্ন স্থানে তিন দিনব্যাপী ডেঙ্গু সচেতনতা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে পৌর প্রশাসন।

এলাকায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোকে ডেঙ্গুর রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আলহাজ্ব আজহারুল ইসলাম মান্নান এবং পৌর প্রশাসকের নির্দেশনায় পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীরা সম্মিলিতভাবে এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

কর্মসূচি চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বার্তা তুলে ধরেন পৌর প্রশাসক ও সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আসিফ আল জিনাত। তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাড়ি, আঙিনা ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে হবে। কোথাও তিন দিনের বেশি পানি জমতে দেওয়া যাবে না এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র পদপ্রার্থী ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী মোশাররফ হোসেন, পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান মেম্বার, সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম সেন্টু, মোঃ জাহাঙ্গীর, সাহাদাত হোসেন লিটু, কায়সার আহমেদ, পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ হোসাইনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও এলাকাবাসী।

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন সচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগ। প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং সাধারণ মানুষ। একযোগে কাজ করলেই ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

সবার সম্মিলিত অঙ্গীকার হোক

“পরিষ্কার রাখি নিজ আঙিনা, ডেঙ্গুমুক্ত হোক সোনারগাঁ।

এলাকাবাসী বলেন, এই ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম আমাদের এলাকায় আরো আগে করা উচিত ছিল কারণ ইতিমধ্যে ৩৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে। এই কার্যক্রম মাসে অন্তত দুই থেকে তিনবার করা উচিত। তাহলে ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম সফল হবে এবং লাকাবাসীর নিরাপদ থাকবে।

শেয়ার করুন:

এই ক্যাটাগরির আরও নিবন্ধ

Global Before Footer