Global Header Bottom
চকরিয়ায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ৯ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার, ১৪ মোটরসাইকেল জব্দ

চকরিয়ায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ৯ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার, ১৪ মোটরসাইকেল জব্দ

চকরিয়ায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ৯ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার, ১৪ মোটরসাইকেল জব্দ

কক্সবাজারের চকরিয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের একটি গোপন বৈঠক পণ্ড করে দিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১৪টি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উলুবুনিয়া বওনাঘোনা এলাকায় মালুমঘাট হাইওয়ে-সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের মাছের প্রজেক্টে এ অভিযান চালানো হয়।

চকরিয়া থানা পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, জেলহত্যা দিবস পালনের আড়ালে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সেখানে গোপন বৈঠকে সমবেত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, চকরিয়া ও মাতামুহুরী এলাকার ১৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এবং সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, খবর পেয়ে চকরিয়া থানার একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে এজাহারভুক্ত ১০০ জনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ থেকে ১৫০ জন নেতাকর্মী দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোঁটা, রড ও ইটের টুকরা নিয়ে পুলিশের ওপর চড়াও হন। এ সময় তাঁরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে পুলিশকে ধাওয়া করেন এবং রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী স্লোগান দেন।

পরে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকা ঘেরাও করেন। এ সময় পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে ৯ জনকে আটক করা হয়। তাঁরা হলেন—ইমতিয়াজ আহাম্মেদ আবতাহি (২০), নাজমুল হক (২১), সাকিবুর রহমান (২১), মো. নেজাম উদ্দিন (৩৪), রায়হান উদ্দিন (৩০), ইলিয়াছ উদ্দিন (১৯), জসিম উদ্দিন বাবুল (৪২), রবিউল হোসেন (২৮) ও রেজাউল করিম টিটু (৪২)।

চকরিয়া থানা পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হয়। চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজির দিকনির্দেশনায় এবং কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ. এন. এম. সাজেদুর রহমানের তত্ত্বাবধানে সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) মো. আবদুল আজিজ ও ওসি মো. আরিফুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, মাদক, অবৈধ অস্ত্র, ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধমুক্ত চকরিয়া গড়ে তুলতে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতার জন্য সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন:

এই ক্যাটাগরির আরও নিবন্ধ

Global Before Footer