Global Header Bottom
ইয়াসিনের মৃত্যুর প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ, ববি শিক্ষার্থীদের দাবি এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ

ইয়াসিনের মৃত্যুর প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ, ববি শিক্ষার্থীদের দাবি এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ

ইয়াসিনের মৃত্যুর প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ, ববি শিক্ষার্থীদের দাবি এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার প্রতিবাদে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। নিহতের পরিবারকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ এবং দুর্ঘটনার পর দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে প্রক্টরিয়াল বডির সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

সোমবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে অবস্থান নেন। এতে সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।

এর আগে দুপুরে ইয়াসিন আরাফাতের মৃত্যুর ঘটনায় বিভিন্ন দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। তাদের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর যথাসময়ে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হননি। এ কারণে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

পরে বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরের সামনে ইয়াসিন আরাফাতের গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজা শেষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইয়াসিনের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পাশাপাশি সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং বিআরটিসির পক্ষ থেকে আরও ৭ লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব আসে। তবে শিক্ষার্থীরা এসব প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, ইয়াসিন আরাফাতের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। দুর্ঘটনার পর প্রক্টরিয়াল বডির দায়িত্বশীলদের ভূমিকা তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে নিহতের পরিবারের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ও আর্থিক ক্ষতি বিবেচনায় এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী মো. রাজিব বলেন, দুপুরে আলোচনার পর তারা আশা করেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের দাবিগুলো মেনে নেবে। প্রক্টরিয়াল বডির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নিহতের পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। কিন্তু রাত পর্যন্ত কোনো দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং নামমাত্র ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

এদিকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মামুন আর রশিদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী নিহত শিক্ষার্থীর পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা দেওয়ার কথা। তবে তিনি ১০ লাখ টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। পাশাপাশি বিআরটিসি ও সড়ক ও জনপথ বিভাগ যৌথভাবে আরও ৭ লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে।

শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

শেয়ার করুন:

এই ক্যাটাগরির আরও নিবন্ধ

Global Before Footer