সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশের তৎপরতায় বগুড়ার মাসুদ টেলিকম থেকে চুরি যাওয়া ২৫ লাখ টাকার মোবাইল উদ্ধার,
সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশের তৎপরতায় বগুড়ার মাসুদ টেলিকম থেকে চুরি যাওয়া ২৫ লাখ টাকার মোবাইল উদ্ধার, আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার
এম নুরে এলাহী । স্টাফ রিপোর্টার ও জেলা প্রতিনিধি,সিরাজগঞ্জ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বগুড়া জেলার ধনুট থানাধীন ধনুট বাজারস্থ ‘মাসুদ টেলিকম’ নামক একটি দোকানের সাটার ভেঙে ২৫ লাখ টাকা মূল্যের ৯৪ পিস অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট মোবাইল ফোন চুরির ঘটনার সাথে জড়িত আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৮ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে চুরি হওয়া মোবাইল ফোনগুলো উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে ভোর আনুমানিক ০৮:০০ ঘটিকায় অজ্ঞাতনামা ৮/৯ জনের একটি আন্তঃজেলা চোর চক্রের সদস্য ধনুট বাজারের মাসুদ টেলিকমের দোকানের সাটার ভেঙে ৯৪ পিস অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট মোবাইল ফোন (যার আনুমানিক মূল্য ২৫,০০,০০০/- টাকা) চুরি করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তারা সিএনজি যোগে বগুড়ার শেরপুর বাসস্ট্যান্ডে এসে ঢাকাগামী ‘শ্যামলী পরিবহন’ নামক একটি যাত্রীবাহী বাসে (রেজিঃ নং- ঢাকা মেট্রো ব-১৩-২২৮৭) উঠে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
ডিএসবি, সিরাজগঞ্জের প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সুপার, সিরাজগঞ্জের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), সিরাজগঞ্জের নেতৃত্বে ডিআইও-১ (ডিএসবি, সিরাজগঞ্জ) ও অফিসার ইনচার্জ, যমুনা সেতু পশ্চিম থানা সঙ্গীয় ফোর্সসহ তাৎক্ষণিকভাবে যমুনা সেতু পশ্চিম থানা গোল চত্বর এলাকায় চেকপোস্ট স্থাপন করেন। এরপর একই দিন সকাল ১০:৪৫ ঘটিকায় উল্লেখিত শ্যামলী পরিবহন বাসটিতে তল্লাশি চালিয়ে ৮ জন আসামীকে হাতেনাতে আটক করা হয় এবং তাদের হেফাজত থেকে চুরি হওয়া মোবাইল ফোনগুলো উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের বিবরণ:
১. আল-আমিন (৩০), পিতা- মৃত আব্দুল কুদ্দুস, সাং- সৈয়দপাড়া, থানা- বায়েজীদ বোস্তামী, জেলা- চট্টগ্রাম।
২. মোঃ ইসরাফিল রহমান (২৭), পিতা- মৃত আজিজুর রহমান, সাং- পাঠানপাড়া, থানা- বায়েজীদ বোস্তামী, জেলা- চট্টগ্রাম।
৩. হৃদয় (৩৪), পিতা- মোঃ ইব্রাহিম, সাং- ইসমাইল ফয়েজ রোড, থানা- কোতয়ালী, জেলা- চট্টগ্রাম।
৪. মোঃ আক্কাজ আলী (৩৫), পিতা- মৃত হবি মিয়া, সাং- দাররা (সিএমপি বাকলিয়া), থানা- বাকলিয়া, জেলা- চট্টগ্রাম।
৫. মোঃ আলাউদ্দিন (২৫), পিতা- মৃত বাচ্চু মিয়া, সাং- কামেল্লা, থানা- মুরাদনগর, জেলা- কুমিল্লা।
৬. মোঃ রবিউল (৩৩), পিতা- মৃত খালেক মিয়া, সাং- নবাবপুর (নয়াবপুর), থানা- চান্দিনা, জেলা- কুমিল্লা।
৭. মোঃ ইয়াসিন আরাফাত (৩৮), পিতা- মৃত শামসুল আলম, সাং- চোখবাস মোল্লাবাড়ি, থানা- কসবা, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
৮. মোঃ ইমরান হোসেন (৩২), পিতা- হারুন মিয়া, সাং- চরদিনানগর, থানা- রায়পুরা, জেলা- নরসিংদী।
উদ্ধারকৃত মালামালসহ অভিযুক্ত আসামিরা বর্তমানে যমুনা সেতু পশ্চিম থানা হেফাজতে আটক রয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। আটককৃতদের বগুড়া জেলার ধনুট থানার হেফাজতে পাঠানো হয়েছে