সর্বশেষ

মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নির্বাচনী প্রচারণা অনলাইনে চালানো যাবে: ইসি কমিশনার

নির্বাচনী প্রচারণা অনলাইনে চালানো যাবে: ইসি কমিশনার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রচারণা এখন থেকে অনলাইনে চালানো যাবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেছেন, এতে প্রার্থীদের আচরণবিধি লঙ্ঘিত হবে না।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নির্বাচন কমিশন ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ইসি কমিশনার জানান, আনুষ্ঠানিক প্রচারণা হিসেবে মিছিল ও সমাবেশ নিষিদ্ধ হলেও প্রচারণা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। অনলাইনে প্রচার চালানো যাবে। এমনকি কোনো প্রার্থী বা তার সমর্থক সরাসরি মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করে হাতে হাত মিলিয়ে ভোট চাইলে তাতেও আইনগত কোনো বাধা নেই।

ফলাফল ঘোষণা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে সানাউল্লাহ বলেন, তাড়াহুড়ো করা যাবে না। প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালটে শতাধিক প্রতীক থাকবে, ফলে ভোট গণনায় কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে।

তিনি আরও জানান, নির্বাচনে কালো টাকা ব্যবহারের আশঙ্কা মাথায় রেখে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)-কে সতর্ক নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মবের চেষ্টা হলে শুধু কেন্দ্র নয়, আসনের ভোট স্থগিত হবে: আইজিপি

মবের চেষ্টা হলে শুধু কেন্দ্র নয়, আসনের ভোট স্থগিত হবে: আইজিপি


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো কেন্দ্রে মব বা সহিংসতার চেষ্টা হলে শুধু ওই কেন্দ্র নয়, পুরো আসনের ভোট গ্রহণ স্থগিত করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম।

আইজিপি বলেন, নির্বাচন ঘিরে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। কেউই নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রস্তুত থাকবে। নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, আগের নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা পুলিশ সদস্যদের এবার নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে দূরে রাখা হয়েছে। পুলিশ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছে এবং একটি ভালো নির্বাচন উপহার দেওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

আইজিপি আরও বলেন, আসন্ন নির্বাচন পুলিশের জন্য জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারের একটি বড় সুযোগ। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা, ভ্রাম্যমাণ টহল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স—এই তিন স্তরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। মোট ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন পুলিশ সদস্য নির্বাচনী নিরাপত্তায় কাজ করছেন।

নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও আনসার সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানান তিনি।

রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা নিশ্চিত না হলে উন্নয়ন-গণতন্ত্র টেকসই হবে না: তারেক রহমান

রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা নিশ্চিত না হলে উন্নয়ন-গণতন্ত্র টেকসই হবে না: তারেক রহমান

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা নিশ্চিত করতে না পারলে দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র কখনোই টেকসই হবে না। আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন সামনে রেখে গতকাল বাংলাদেশ টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তারেক রহমান বলেন, দেশ থেকে যে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার হয়েছে, তা রোধ করা গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড ও বেকার ভাতার মতো জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে অর্থের সংকট থাকবে না। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে পাচার হওয়া সম্পদ উদ্ধার করে সাধারণ মানুষের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। তার ভাষায়, বিএনপি একটি মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়।

প্রশাসন পরিচালনা প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে প্রতিটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান কেবল সংবিধান অনুযায়ী চলবে। আমরা এমন রাষ্ট্র গড়তে চাই, যেখানে শাসকরা নিজেদের মালিক নয়, জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করবে। তিনি অভিযোগ করেন, বিগত বছরগুলোতে শাসক শ্রেণি সরকারি পদ-পদবি ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করে রাষ্ট্রকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দিয়েছে।

ক্ষমতায় গেলে প্রথম দিন থেকেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে জানিয়ে তিনি বলেন, বিএনপির লড়াই শুধু ক্ষমতার জন্য নয়; রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণের হাত থেকে মুক্ত করে জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়াই মূল লক্ষ্য।

তরুণদের উদ্দেশে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, বেকারত্ব দূরীকরণ ও মেধাবীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সরকার গঠন করতে পারলে যথাসময়ে নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করা হবে। পাশাপাশি ড্রপআউট শিক্ষার্থীদের বেকারত্ব রোধে উচ্চবিদ্যালয় পর্যায় থেকেই কারিগরি ও ব্যবহারিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার কথা জানান তিনি।

ভাষণে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ এখন গণতান্ত্রিক উত্তরণের এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ হলেও, একটি পরাজিত চক্র জনগণের কাছ থেকে রাষ্ট্রের মালিকানা ও গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়েছিল।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ৭ নভেম্বরের আন্দোলন, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলন, শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ড এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালের স্বাধীনতা রক্ষার সংগ্রাম—ইতিহাসের প্রতিটি অধ্যায়ে মানুষ জীবন দিয়েছে দেশের জন্য। একটি প্রাণ হারালে একটি পরিবারের স্বপ্ন ও সম্ভাবনাও শেষ হয়ে যায়, যার পূর্ণ প্রতিদান কখনো সম্ভব নয়। তবে জীবিতদের দায়িত্ব শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

তারেক রহমান বলেন, নাগরিকদের হারানো রাজনৈতিক ক্ষমতা পুনরুদ্ধারে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন একটি বড় সুযোগ। একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে দেশবাসীর সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন তিনি।

কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে আপিলের শুনানি নির্বাচনের পর

কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে আপিলের শুনানি নির্বাচনের পর


দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের অভিযোগে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে করা রিট খারিজের আদেশের বিরুদ্ধে করা আবেদনের শুনানি আজ হয়নি। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ বিষয়ে ‘নট টু ডে’ বলে দেন।

আদালতে ড. এম এ কাইয়ুমের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান। নাহিদ ইসলামের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন লিপু ও অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা।

আইনজীবীরা জানান, ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে নাহিদ ইসলামের করা আবেদনের শুনানি জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের অভিযোগে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।

গত ৩ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই রিট সরাসরি খারিজ করে দেন। পরে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন নাহিদ ইসলাম।

উল্লেখ্য, ঢাকা-১১ আসনে নাহিদ ইসলাম ও ড. এম এ কাইয়ুম—উভয়ের মনোনয়নপত্রই নির্বাচন কমিশন বৈধ ঘোষণা করেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে রুমিন ফারহানাকে সমর্থন দিল জাতীয় পার্টি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে রুমিন ফারহানাকে সমর্থন দিল জাতীয় পার্টি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানাকে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টায় সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে রুমিন ফারহানা ও জাপার নেতাদের যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ ভাসানী বলেন, জাপা মনোনীত প্রার্থী জিয়াউল হক মৃধা মিথ্যা মামলা ও হুমকির কারণে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে দলের মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর নির্দেশে জাতীয় পার্টির সব নেতাকর্মীকে রুমিন ফারহানার পক্ষে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রুমিন ফারহানা বলেন, জাতীয় পার্টির প্রার্থী নির্বাচন না করার ঘোষণার পর দলটি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘হাঁস’ প্রতীকের পক্ষে সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জাতীয় পার্টিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখনই এ বিষয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়। আগে নির্বাচন ও ফলাফল দেখতে হবে। বর্তমানে প্রধান লক্ষ্য হলো— ভোটাররা যেন ভয়-ভীতি, পেশীশক্তি ও কালো টাকার প্রভাব ছাড়াই নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন এবং সুষ্ঠুভাবে ফল ঘোষণা হয়।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, তার নেতাকর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে, রাতে ফোন দেওয়া হচ্ছে এবং কালো টাকার ছড়াছড়ি চলছে। বিএনপি সমর্থিত জোট প্রার্থী কয়েক কোটি টাকার বাজেট নিয়ে মাঠে নেমেছেন বলেও দাবি করেন তিনি। এ বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন রুমিন।

এর আগে গ্রেপ্তারের হুমকির অভিযোগ তুলে জাতীয় পার্টির প্রার্থী জিয়াউল হক মৃধা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।

উল্লেখ্য, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেত্রী রুমিন ফারহানা ‘হাঁস’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব, যার প্রতীক ‘খেজুর গাছ’।

আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা

আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা


দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। এবার ভরিতে দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা। ফলে ২২ ক্যারেট সোনার নতুন মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রতি ভরি ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন এই দাম গতকাল সকাল থেকেই কার্যকর হয়েছে।

বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম বৃদ্ধির কারণে স্বর্ণের দামে এই সমন্বয় করা হয়েছে।

নতুন দামে স্বর্ণের মূল্য—
২২ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা
২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা
১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা
সনাতন পদ্ধতি: প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনার নকশা ও মানভেদে মজুরি ভিন্ন হতে পারে।

এদিকে রুপার দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি। ২২ ক্যারেট রুপার দাম ভরি ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা, ২১ ক্যারেট ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার ভরি ৩ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ভোটের ছুটিতে রাজধানী ছাড়ছে মানুষ, বাসস্ট্যান্ড ও রেলস্টেশনে ঈদের মতো ভিড়

ভোটের ছুটিতে রাজধানী ছাড়ছে মানুষ, বাসস্ট্যান্ড ও রেলস্টেশনে ঈদের মতো ভিড়

সংগৃহীত ছবি

ভোটের ছুটিকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড ও রেলস্টেশনে ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়েছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই কর্মজীবী মানুষ ঢাকা ছাড়তে শুরু করেন। এতে রাজধানীতে ঈদের আগের দিনের মতো ভিড় ও ব্যস্ততা দেখা গেছে।

সকাল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকা ছাড়ার প্রধান সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কসহ আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে আব্দুল্লাহপুর থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত যান চলাচল ছিল ধীরগতির। কলেজগেট ও গাজীপুর এলাকাতেও দীর্ঘ যানজটে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।

মহাসড়কের বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে সকাল থেকেই শত শত মানুষ বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকেন। যাত্রী বেশি হলেও প্রয়োজনের তুলনায় বাস কম থাকায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এর মধ্যে বাস সংকটের সুযোগে কয়েকগুণ বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে পরিবহন শ্রমিকদের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি কিছু আন্তঃজেলা ও অন্তঃজেলা বাস নির্ধারিত রুটের বাইরে অতিরিক্ত ট্রিপ চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) শেষ কর্মদিবস থাকলেও অনেকেই আগেভাগে ছুটি নিয়ে গ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। এদিকে কমলাপুর রেলস্টেশনে ট্রেনের টিকিট সংগ্রহে দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অনেক ভোটার দুই থেকে তিন দিনের ছুটি নিয়ে পরিবারসহ গ্রামে যাচ্ছেন।

যাত্রীরা জানান, দীর্ঘদিন পর ভোট দেওয়ার সুযোগ পাওয়ায় ভোগান্তি সত্ত্বেও তারা গ্রামে যাচ্ছেন।

উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।